আকিদা

সুন্নাত ও বিদআত : কিছু মৌলিক কথা-২ | আল্লামা ইউসুফ লুধিয়ানভী রহ.

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr

৫. বিদআত দুই প্রকার। এক. ই’তেকাদী, যা বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সম্পৃক্ত। দুই. আমলী, যা কর্মের সাথে সম্পৃক্ত।

ই’তেকাদি বিদআত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, “কোনো ব্যক্তি অথবা কোনো দল এমন আকিদা বা দৃষ্টিভঙ্গি লালন করে যা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবা, তাবেয়ী ও তাবে-তাবেয়ীদের আকিদা ও দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীত”।

ظلمات بعضها فوق بعض- “অন্ধকারের ওপর অন্ধকার”-এর হিসেবে এই বিদআতের অনেক শাখা-প্রশাখা হবে। কিছু তো সুস্পষ্ট কুফর। যেমন কাদিয়ানীদের আকিদা—নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরেও নবুওয়াতের দরজা খোলা রয়েছে, অথবা ইসা আ. মৃত্যুবরণ করেছেন, ইত্যাদি আকিদাসমূহ।

আর কিছু ই’তেকাদি বিদআত কুফর না হলেও তাকে পথভ্রষ্টতা ও গোমরাহি বলা হবে।

আমলী বিদআত হলো, ‘আকিদা বা বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো পরিবর্তন না হলেও এমন কিছু আমল নির্বাচন করা, যা সালাফে সালেহিনদের থেকে বর্ণিত নয়’।

৬. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘বিদআত’-এর এত বেশি নিন্দা ও ভর্তসনা করেছেন, সম্ভবত কুফর ও শিরকের পর অন্য কোনো বিষয়ে এত ভৎসনা ও নিন্দা করেননি।

‘বিদআত’ বিষয়ে হাদিস শরিফে যত রেওয়ায়েত আছে, সবগুলোর খুলাসা ও সারকথা হলো, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘বিদআত’কে পথভ্রষ্টতা, অভিশপ্ত, ও সুস্পষ্ট গোমরাহি বলেছেন। এ থেকেই আন্দাজ করা যায়, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৃষ্টিতে ঐ ব্যক্তি কতটা লাঞ্চিত ও অপদস্থ, যে কোনো বিদআত তৈরি করে অথবা কোনো বিদআতে লিপ্ত হয়।

এক হাদিসে এসেছে, বিদআতি ব্যক্তির ফরজ ও নফল কোনো আমলই আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং-১৮৭০)

অন্য এক হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি কোনো বিদআতি ব্যক্তিকে সম্মান করলো, সে যেন ইসলামের ধ্বংসে তাকে সাহায্য করলো। (শুয়াবুল ইমান, ইবরাহিম ইবনে মাইসারা থেকে মুরসাল রেওয়ায়েত। ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেছেন, এটি ফজল ইবনে ইয়াজের কথা হিসেবেই বেশি প্রসিদ্ধ)

আরেক হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি জামায়াত থেকে অল্প পরিমাণও সরে যাবে, সে নিজের থেকে ইসলামের বন্ধন খুলে ফেললো। (সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং ৪৭৫৮।)

এই সমস্ত রেওয়ায়েত থেকেও এই কথার আন্দাজ করা যায়, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছোট থেকে ছোট বিদআতও কতটা ঘৃণ্য ছিলো।

এখন প্রশ্ন জাগে ‘বিদআত’ এত অপছন্দনীয় ও ঘৃণিত কাজ কেন? এই বিষয়ে আমাদের আকাবির-আসলাফগণ তাদের কিতাবসমুহে দীর্ঘ-দীর্ঘ আলোচনা করেছেন।  আমি এখানে একদম সংক্ষিপ্ত তার কয়েকটি কারণের দিকে ইশারা করব।

(ক) ইসলাম ধর্ম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গতা লাভ করেছে। এবং যে সমস্ত কাজ ও কথার দ্বারা আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা আমাদের কাছে পরিপূর্ণরূপে পৌঁছিয়ে গেছেন।

এখন কোনো ব্যক্তি দ্বীনের নামে নতুন কিছু সৃষ্টি করে মানুষকে যখন সে বিষয়ে দাওয়াত দেয়, সে একরকম এই দাবিই করছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দ্বীন রেখে গিয়েছেন তা পূর্ণাঙ্গ নয়। এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য অর্জনের যে পদ্ধতি এই মূর্খ ব্যক্তির জানা আছে, আল্লাহর রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তা জানা ছিলো না। নাউজুবিল্লাহ।  অথবা এই কথা বোঝাতে চাচ্ছে, দ্বীনের চাহিদা ও বুঝ এবং আল্লাহর নৈকট্য এই বিদআতী ব্যক্তির যতটুকু  অর্জন হয়েছে, সে অর্জনটুকু না রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করতে পেরেছেন, না সাহাবা-তাবেয়ীনগণ করতে পেরেছেন। নাউজুবিল্লাহ।

মোটকথা, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবা,তাবেয়ীন ও তাবে-তাবেয়ীন যে কাজ করেননি, আজ কোনো ব্যক্তি যদি ঐ কাজকে দ্বীন এবং ইবাদত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, সে শুধু সালফে-সালেহীনদের উপরই নয়, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনীত দ্বীনের ওপর আক্রমণ করতে চায়। এমন ব্যক্তির পথভ্রষ্টতা ও গোমরাহির ব্যাপারে কি সন্দেহ থাকতে পারে?

(খ) বিদআত ব্যতিত অন্য যেকোনো গুনাহের ক্ষেত্রে একজন মুসলিমের এই অনুভূতি থাকে যে, সে ভুল করছে। এবং এই গুনাহের জন্যে সে পেরেশান থাকে এবং একসময় তাওবা করে নেয়।

কিন্তু বিদআত এমন হতভাগ্য ও দুঃখজনক গুনাহ, তাতে লিপ্ত ব্যক্তি তা গুনাহ হিসেবে নয়, বরং একটি ভালো ও নেক কাজ মনে করে করতে থাকে। আর শয়তানও ঐ ব্যক্তির দৃষ্টিতে উক্ত বিদআতকে এত চমৎকার ও আকর্ষণীয় করে তুলে ধরে যে, ভুল ও গুনাহের অনুভূতি পর্যন্ত তার ভিতর অনুভূত হয় না। এবং মৃত্যু পর্যন্ত সে তাওবা থেকে মাহরূম ও বঞ্চিত থাকে।

এ কারণেই বড় থেকে বড় গুনাহগার ও পাপী ব্যক্তির তাওবার তাওফিক হয়। কিন্তু বিদআতের রোগির সুস্থতা নসিব হয় না। তবে যদি আল্লাহর খাস রহমত কাউকে সাহায্য করে এবং তার সামনে বিদআতের অনিষ্টতা স্পষ্ট হয়ে যায়, তার কথা ভিন্ন।

(গ) বিদআতের সবচে অশুভনীয় ও খারাপ দিক হলো, তা সুন্নাতের নুর থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

ما أحدث قوم بدعة إلا رفع مثلها من السنة فتمسك بسنة خير من إحداث بدعة

“কোনো কওম যখন কোনো বিদআত সৃষ্টি করে,  আল্লাহ তাদের থেকে সমপরিমাণ সুন্নাত উঠিয়ে নেন। এই জন্যে ছোট থেকে ছোট সুন্নাতের উপর আমল করা বাহ্যত বড় বড় বিদআত থেকে উত্তম।” (মুসনাদে আহমদ, হাদিস নং-১৬৯৭০)

অন্য আরেক রেওয়াতে আছে,

ما ابتدع قوم بدعة في دينهم إلا نوع الله من سنتهم مثلها ثم لا يعيدها إليهم  إلى يوم القيامة،

যখন কোনো কওম দ্বীনের মাঝে বিদআত সৃষ্টি করে কর, আল্লাহ তাদের থেকে সে পরিমাণ সুন্নাত উঠিয়ে নেন। এবং তা আর কখনোই ফিরিয়ে দেন না। (সুনানুদ দারিমি, হাদিস নং-৯৯)

সুন্নাত থেকে এই মাহরূমির কারণ হলো, বিদআতে লিপ্ত হওয়ার পর অন্তরে ‘নুর’ ও ভালো কিছু গ্রহণ করার স্বভাবজাত যোগ্যতা নষ্ট হয়ে যায়। হক ও বাতিলের মাঝে পার্থক্যের খেই হারিয়ে ফেলে।

বিদআতে লিপ্ত ব্যক্তির উদাহরণ ঐ মূর্খ ব্যক্তির মতো, যাকে কোনো চতুর ধোঁকাবাজ লোক বেশি টাকার লোভ দেখিয়ে আসল টাকাগুলো নিয়ে জালটাকার একটি বস্তা ধরিয়ে দেয়। আর ঐ মূর্খ এই ভেবে খুশি হয়, অল্পকিছু টাকার বিনিময়ে কতগুলো টাকা পেলাম। তার এই খুশি ঐ সময় পর্যন্ত থাকে, যখন সে টাকা নিয়ে বাজারে যায় এবং জানতে পারে, তার এই একবস্তা টাকার কাগজের মূল্য ছাড়া আর কিছুই নেই। এতটুকুই নয়, বরং জাল নোট কারেন্সির অপরাধে তাকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হবে৷

খুব ভালো করে বুঝুন, আখিরাতের বাজারে একমাত্র মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতের টাকাই চলবে। যারা বিদআতের জাল টাকার পাহাড় বানিয়ে রেখেছেন, সেখানে এই পাহাড়ের এক পয়সা মূল্যও থাকবে না। বরং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতের টাকার বিপরীত বেদআতের জাল টাকা বানানোর অপরাধে তাদের বেড়ি পরিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কেয়ামতের দিন আমি সর্বপ্রথম ‘হাউজে কাউসার’-র  সামনে উপস্থিত হবো। যারা সেখানে আসবে আমি সকলকে সেখান থেকে পানি পান করাবো। যে একবার তা পান করবে সে কখনোই পিপাসার্ত হবে না। কিছু লোক সেখানে আমার কাছে আসবে। আমি তাদের চিনতে পারবো৷ আর তারাও আমাকে চিনতে পারবে। কিন্তু আমাদের মাঝে একটি বাধা সৃষ্টি করে দেওয়া হবে। আমি বলবো, ‘এরাতো আমার উম্মাত’। আমাকে উত্তর দেওয়া হবে, আপনি জানেন না আপনার মৃত্যুর পর কী কী করেছে? এই কথা শুনে আমি বলবো, ‘দূর হও তোমরা। যারা আমার পর দ্বীনের পরিবর্তন করেছো’। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং-৬৫৮৩, ৬৫৮৪)

এই হাদিস থেকে এই শিক্ষাই আমরা পাই, যারা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত ছেড়ে বিভিন্ন বিদআতে লিপ্ত তারা কেয়ামতের দিন হাউজে কাউসারের পানি থেকে বঞ্চিত হবে। এর থেকে বড় বঞ্চনা আর কী হতে পারে?

আমাদের আকাবিরে-আসলাফগণ এই কারণেই বিদআতকে এত ঘৃণা করতেন। ইমাম গাজালি রহ. ঐচ্ছিক বিষয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত অনুসরণের গুরুত্ব বর্ণনা করার পর লেখেন,

‘উপরে যা কিছু বলা হলো, তা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ঐচ্ছিক বিষয়ে সুন্নাতের অনুসরণের প্রতি আগ্রহ ও উদ্বুদ্ধ করার জন্য। আর যে কাজগুলো ইবাদতের সাথে সম্পৃক্ত এবং যার আজর ও ছাওয়াব কুরআন-হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলোতে কোনো ওজর-আপত্তি ছাড়া সুন্নাতের অনুসরণ না করার কারণ এটাই হতে পারে, হয়তো তার ভিতরে এখনো কুফরের কিছু আবাস রয়ে গেছে। অথবা সে জ্ঞান-বোধহীন বোকা। (তাবলীগে দ্বীন ৪২পৃ.)

হযরত ইমামে রাব্বানী মুজাদ্দিদে আলফে-সানী রহ. লেখেন,

‘বান্দা আল্লাহর দরবারে নিজের হীনতা ও বশ্যতা স্বীকার করে এবং কাকুতি-মিনতি করে গোপনে ও প্রকাশ্যে এই ঘোষনা করছি—দ্বীনের মাঝে নতুন পুরাতন যত বিদআত সৃষ্টি করা হয়েছে যা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও খুলাফায়ে রাশিদিনদের যামানায় ছিলো না, তা সকালের সূর্যের মতো উজ্জল মনে হলেও এই অধম ও অধমের সাথে সম্পর্ক রাখে সকলেই তার থেকে বিরত থাকবো। এবং এই বিদআতের এই চাকচিক্যে ধোঁকা খাবো না। (মাকতুবাত, পৃ.১৮৬)

আমি অকর্মণ্য মুজাদ্দিদে আলফে-সানী রহ.-র এই দোয়া নিজের জন্যে আপনার জন্যে এবং সকল মুসলমানের জন্যে পুনরায় আবার করছি।

(ঘ) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই কথা (سحقا سحقا لمن غير بعدي’) “যারা আমার পর আমার রেখে যাওয়া পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে” থেকে বিদআতের নিকৃষ্টতার আরো একটি কারণ বোঝা যায়; বিদআতের মাধ্যমে দ্বীনের মাঝে বিকৃতি ও তাহরিফ আবশ্যক হয়।

কথাটা একটু ব্যাখ্যা করে বলি, ‘আল্লাহ তায়ালা এই দ্বীন কেয়ামত পর্যন্ত সময়ের জন্যে নির্ধারণ করেছেন। এবং সমস্ত মানুষকে তা পালনে বাধ্য করেছেন। এই বাধ্যবাধকতা ঐ সময় সঠিক হবে যখন এই দ্বীন কেয়ামত পর্যন্ত আপন রূপে সংরক্ষিত থাকবে। পিছনের উম্মতরা যেমন তাদের খেয়াল-খুশি মতো তাদের দ্বীনের রূপকে বিকৃত করে তার মূল আকৃতিই পাল্টিয়ে ফেলেছে, ইসলামে  এইরকম বিপদ কখনোই আসবে না।

সুতরাং যে সকল মানুষ বিদআত তৈরিতে লিপ্ত তারা মূলত দ্বীনের আসল রূপ বিকৃত করছে। এবং দ্বীনের অপব্যাখ্যা ও পরিবর্তনের রাস্তা খুলে দিচ্ছে। যেহেতু আল্লাহ তায়ালা এই দ্বীনের হেফাজতের ওয়াদা করেছেন, তাই নিজ রহমতে ঐ সমস্ত ব্যবস্থাও করেছেন যাতে এই দ্বীন মানুষের খেয়াল-খুশি থেকে এবং বিদআতের মিশ্রণ থেকে পবিত্র থাকবে।

তাই যখনই বিদআতীরা দ্বীনের এই সুন্দর চেহারাকে ধুলোমলিন করতে চেয়েছে, তখনই উলামায়ে হক্বের মধ্য থেকে একদল তা ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে দিয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,

يحمل هذا العلم هذا العلم من كل خلف عدوله ينفون عنه تحريف الغلين، وانتحال المبطلين، وتأويل الجاهلين،

অর্থ: প্রত্যেক যামানা থেকে এই দ্বীনকে বহন করবে তার সৎ ও নেক লোকজন। তারা বাড়াবাড়ি করা ব্যক্তিদের বিকৃতি থেকে, বাতিলের মিথ্যা দাবি থেকে ও মূর্খদের অপব্যাখ্যা থেকে এই দ্বীনকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখবে।

আলহামদুলিল্লাহ, এই জন্যে এই কথা পূর্ণ আস্থার সাথে বলা যায়, এই দ্বীনের চেহারা বিকৃতির কাজে বাতিলরা কখনোই সফল হবে না। কারণ আল্লাহ তায়ালা নিজে তা রক্ষার ব্যবস্থাপনা করেছেন। নিশ্চিতভাবে এই কথার মাঝে কোনো সন্দেহ নেই, যারা নিত্যনতুন বিদআত তৈরিতে লিপ্ত তারা শুধু নিজের দুর্ভাগ্যই বৃদ্ধি করছে না, বরং অনেক মূর্খদেরও গোমরাহ করছে।

সুন্নাত ও বিদআত : কিছু মৌলিক কথা-১

Facebook Comments

Write A Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: