Category

মঈনুদ্দীন তাওহীদ

Category

১. নবীজি তখন মদীনায়। কাফেরদের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। আরবের পথ এখন মুসলমানদের জন্য অনেকটাই নিরাপদ। নবীজি এই সুযোগে সাহাবায়ে কেরামকে দলে-দলে ভাগ করে বিভিন্ন গোত্র, গোত্রপতি আর অনারব রাজাবাদশাদের নিকট পাঠাতে থাকেন ইসলামের দাওয়াত নিয়ে। নবীজির নির্দেশে একটি দল ছুটে যায় বনু তামীমে। তাদেরকে আহবান জানায় ইসলামের পথে। ইসলাম সম্পর্কে তখন অনেকেরই জানাশোনা ছিল। তবুও গোত্রের লোকেরা কি করবে না করবে—দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যায়। কিছুতেই তারা চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে…

খুব কম মানুষই এই মহান ব্যক্তিকে চেনেন। আবু সাহবা সেলাহ ইবনে উশাইম ছিলেন একজন দুনিয়া বিরাগী সাধক ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন আলেমা মুআযাহ আদাবীয়ার স্বামী। মহান এই সংগ্রামী সাধক মুসলিম সমাজে রেখেছিলেন অনন্য অনেক অবদান; সমাজের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে তার জন্য ছিল সীমাহিন ভালোবাসা ও ব্যাপক প্রভাব। ধৈর্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টিতে সন্তুষ্ট থাকা ছিল তার অনন্য গুণের একটি। সাবিত বর্ণনা করেন : একবার এক ব্যক্তি সেলাহর নিকট তার ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ…

ইমাম যাহাবী রহ. তার সম্পর্কে বলেন : তিনি ছিলেন তাবেয়ীদের সর্দার এবং সমকালীন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ যাহেদ ব্যক্তিত্ব। বিশুদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আবু মুসলিম খাওলানীর প্রকৃত নাম আব্দুল্লাহ ইবনে সাওব।[১] ইয়ামান থেকে মদীনায় পৌঁছানোর আগেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রফীকে আলার সান্নিধ্যে চলে যান; এবং আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহুকে খলীফা মনোনীত করা হয়। ইয়ামানে নবুয়াতের দাবীদার ভণ্ডনবী আসওয়াদে আনাসীকে রুখতে তিনি অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফেৎনার সে সময়ও তিনি ছিলেন ইসলামের…

Pin It
error: Content is protected !!