Category

ইজহারুল ইসলাম

Category

ইবনে তাইমিয়া রহ. এর কিতাবে বর্ণিত কিছু কারামত ওলীদের কারামত সম্পর্কে ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, وَمِنْ أُصُولِ أَهْلِ السُّنَّةِ وَالْجَمَاعَةِ : التَّصْدِيقُ بِكَرَامَاتِ الْأَوْلِيَاءِ وَمَا يُجْرِي اللَّهُ عَلَى أَيْدِيهِمْ مِنْ خَوَارِقِ الْعَادَاتِ فِي أَنْوَاعِ الْعُلُومِ وَالْمُكَاشَفَاتِ وَأَنْوَاعِ الْقُدْرَةِ وَالتَّأْثِيرَاتِ كَالْمَأْثُورِ عَنْ سَالِفِ الْأُمَمِ فِي سُورَةِ الْكَهْفِ وَغَيْرِهَا وَعَنْ صَدْرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ مِنْ الصَّحَابَةِ وَالتَّابِعِينَ وَسَائِرِ قُرُونِ الْأُمَّةِ وَهِيَ مَوْجُودَةٌ فِيهَا إلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের আক্বীদা হল, আউলিয়াদের…

ভূমিকা তাজকিয়া, তাসাউফ, যুহদ বা আত্মশুদ্ধির মেহনত অন্যতম একটি ফরজ বিধান। আত্মার ব্যাধি থেকে মুক্ত না হলে বাহ্যিক আমলের সত্ত্বেও শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। রাসূল স. ইরশাদ করেছেন, যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। সুতরাং অহংকার নামক আত্মিক ব্যধিসহ অন্যান্য ব্যাধি থেকে মুক্ত হতে হবে। একেই তাজকিয়া, তাসাউফ বা জুহদ বলে। আত্মার ব্যাধি থেকে মুক্ত হওয়া ফরজে আইন। প্রত্যেক মুসলিমকে এগুলো থেকে পরিশুদ্ধি অর্জন করতে…

দ্বিতীয় হিজরী শতকের সূফীগণ দ্বিতীয় হিজরী শতকের বিখ্যাত দুই বুজুর্গ, আবিদ ও জাহিদ হলেন, মুহাম্মাদ বিন ওয়াসি ও মালিক ইবনে দিনার। তারা উভয়ে তাসাউফের বড় ইমাম ছিলেন। হাসান বসরী রহ. এর সংশ্রবে ধন্য হোন। জুহদ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে তাদের প্রসিদ্ধি আকাশচুম্বী। মুহাম্মাদ বিন ওয়াসি ইমাম যাহাবী রহ. সিয়ারু আ’লামিন নুবালাতে মুহাম্মাদ ওয়াসি (মৃত:১২৩ হি:) এর পরিচয় দিয়েছেন এভাবে, الإمام الرباني القدوة অর্থ: আমাদের অনুসরণীয় আদর্শ আল্লাহ ওয়ালা বুজুর্গ ইমাম। ইমাম…

দ্বিতীয় হিজরী শতকের অন্যতম সূফী ছিলেন ইমাম মালিক ইবনে দিনার রহ। ত্বরীকত ও তাসাউফের শীর্ষস্থানীয় ইমাম ছিলেন তিনি। কুনুজুল আউলিয়া গ্রন্থকার বর্ণনা করেন, মালিক ইবনে দিনার রহ. দীর্ঘ দিন যাবৎ যুদ্ধে অংশ গ্রহণের অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান ছিলেন। পরবর্তীতে যুদ্দের উদ্দেশ্যে মুসলিম সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। যুদ্ধ শুরু হলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এমনকি ঘোড়ার পিঠে আরোহণের মতো শক্তি তার ছিলো না। লোকেরা তাকে একটি তাবুতে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি কান্না শুরু…

আলকমা ইবনে মারসাদ রহ. (মৃত:১২০ হি:) বলেন, আটজন তাবেয়ীর মাঝে জুহদ (দুনিয়া বিমুখতা) সবচেয়ে বেশি ছিল। তারা হলেন, ১. আমের বিন আব্দুল্লাহ রহ.। ২.উয়াইস কারনী রহ.। ৩.হারাম ইবনে হাইয়্যান। ৪. রবী ইবনে খাইসাম। ৫.আবু মুসলিম খাওলানী রহ.। ৬.আসওয়াদ ইবনে ইয়াজীদ রহ.। ৭.মাসরুক ইবনে আজদা রহ.। ৮.হাসান বসরী রহ.। [জুহদুস সামানিয়া মিনাত তাবেয়ীন, রিয়াতু ইবনে আবি হাতিম, তাহকীক, আব্দুর রহমান ফারতুয়ানী] এই আটজনকে তাজকিয়া, জুহদ ও তাসাউফের ইমাম ও শিরোমণি মনে…

ইশার ওজু দিয়ে ফজরের সালাত আদায় সালাফী শায়খ ইবনে জিবরীন রহ. বলেন, هكذا حرص هؤلاء الصحابة- رضي الله عنهم- على أن يأتوا بهذه العبادات، فهذا، هؤلاء وغيرهم من الصحابة كثيرون يحرصون على قيام الليل. كذلك التابعون فيهم كثير يصلون الليل كله، ويجدون لصلاة الليل نشاطا وإقبالا من نفوسهم. ذكروا عن سعيد بن جبير -رضي الله عنه- أنه بقي عشرين سنة يصلي الفجر بوضوء العشاء، إذا توضأ لصلاة العشاء وصلى استمر…

পূর্বের আলোচনায় অনেক সাহাবী ও তাবেয়ী থেকে বর্ণণা করা হয়েছে যে, তারা একই রাকাতে সম্পূর্ণ কুরআন খতম করেছেন। কেউ কেউ মাগরিব থেকে ইশার নামাযের মধ্যবর্তী সময়ে কুরআন খতম করেছেন। প্রশ্ন দেখা দেয়, এটি কীভাবে সম্ভব। অল্প সময়ে অধিক আমল বোখারী শরীফে এ বিষয়ে রাসূল স. এর একটি হাদীস রয়েছে। হযরত আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল স.বলেন, خُفِّفَ على داود القرآنُ، فكان يأمر بداوبِّه، فتسرج، فيقرأ القرآن قبل أن تسرج…

হযরত উমর রা. এর ইবাদত: ইমাম ইবনে কাসীর রহ. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়াতে হযরত উমর রা. এর জীবনী আলোচনা করেছেন। তিনি লেখেন, হযরত উমর রা. ইশার নামায পড়িয়ে নিজ ঘরে প্রবেশ করতনে। এরপর তিনি ফজর পর্যন্ত নামায আদায় করতেন। -আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, খ.৭, পৃ.১৩৫ হযরত উসমান রা. এর ইবাদত: ইমাম ইবনুল জাওযী রহ. তার বিখ্যাত কিতাব সিফাতুস সাফওয়া-তে হযরত উসমান রা. এর জীবনী আলোচনা করেছেন। ইমাম ইবনে সিরীন রহ. থেকে বর্ণনা…

Pin It
error: Content is protected !!