আত্মশুদ্ধি

নারীর নিকাব : কুরআন-সুন্নাহ ও সালাফের বক্তব্যের আলোকে | আব্দুল্লাহ বিন বশির

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr

‘মেয়েরা চাইলে তাদের চেহারা খুলে রাখবে। ঢেকে রাখা ভালো, বাকি না ঢাকলে কোনো সমস্যা নেই।’

এই বিষয়ে বয়ানের মঞ্চ থেকে ফেসবুক পাড়ায় বেশ জোরেশোরে কিছু ভাই কাজ করে যাচ্ছেন।

অথচ এইগুলো তো বেশ পুরোনো ইস্যু। আমাদের আকাবিররা এই বিষয়ে যতধরনের প্রশ্ন, আপত্তি অপব্যাখ্যা আছে তার সবগুলোর জবাবে দিস্তার পর দিস্তা লেখে গেছেন। শুধু মাসিক আলকাউসারে এই বিষয়ে আমারই প্রায় দশটার কাছাকাছি বড় বড় প্রবন্ধ নজরে পড়েছে।

আমার দুঃখ হলো—যারা চেহারা খোলার পক্ষে ফেসবুক গরম করছে, তাদের প্রায়ই বলতে শুনা যায়— ‘ভাই! ছোট ছোট বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলে উম্মাহর মাঝে ফাটল না ধরাই৷ উম্মাহর জন্যে আরো কত বড় বড় কাজ পড়ে আছে। কত বড় বড় ফিতনাহর মোকাবেলা উম্মাহের করতে হবে।’ ইত্যাদি আরো বহু কথা।

 

এই পুরাতন কাসুন্দিতে নতুন রূপ দেওয়ার জন্যে আপতত মোট দাগে তিনটি কথা চোখে পড়ল।

১. বিষয়টি তো বৈধ ইখতেলাফের কাতারে পড়ে।

২. অনেক ফুকাহা তো জায়েয বলেছেন।

৩. কুরআন-হাদিসে তো মুখা ঢাকার কোনো আদেশ নেই৷

 

এই তিন ইস্যুতে কয়েকটি কথা বলা প্রয়োজন মনে করছি।

১. বিষয়টি তো বৈধ ইখতেলাফের কাতারে পড়ে।

একটা বিষয় হলো—ইখতেলাফের বৈধতা। আরেকটা হলো প্রায়োগিক আমল। দুইটার মাঝে যদি তারতম্য না করতে পারেন তাহলে আপনার জন্যে উক্ত বিষয়ে কথা বলার বৈধতা আছে কি না তা নিজেকে প্রশ্ন করুন৷

মুখ খোলার মাসআলায় বৈধ ইখতেলাফ বলে যদি আপনার উদ্দেশ্য হয় বর্তমানে মুখ খোলা রেখে চলা ফেরা করলে কোনো সমস্যা নেই। সাধারণ অবস্থায় নেকাব না করে শুধু হিজাব দিয়ে মাথা ঢেকে বের হওয়া যাবে তাহলে আপনার জন্যে এই বৈধ ইখতেলাফ অবৈধ।

আর যদি বৈধ ইখতেলাফ বলতে আপনি এতটুকু বুঝান যে—ফুকাহায়ে কেরামের একদল যেহেতু জায়েয বলেছেন তাই নারীরা একান্ত প্রয়োজনে প্রয়োজন পুরো হয় পরিমাণ খুলতে পারবে। যেমন পাসপোর্ট বা আইডি কার্ড করার সময় চেহারা খুলতে হয়। বিচারকের কাছে বিচার চাওয়ার সময় খুলতে হয়। ডাক্তারকে বিভিন্ন প্রয়োজনে চেহারা খুলে দেখাতে হয়, ইত্যাদি। আরো অল্পকিছু জরুরি কারণ আছে। তাহলে এই বৈধ ইখতেলাফ করা আপনার জন্য জায়েয৷

কিন্তু যারা আজকাল নেকাব করা ওয়াজিব নয় বলে হুজ্জতবাজি করছে, তাদের হুজ্জতবাজি দেখলে শুধু এতটুকুই মনে হয় তারা নেকাবকে সর্বাবস্থায় খুলে রাখার কোনো এক এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে৷

আল্লাহর কাছে পানাহ!

 

২. অনেক ফুকাহা তো জায়েয বলেছেন।

যে সমস্ত ফুকাহায়ে কেরাম ‘মুখমণ্ডল’ খুলে রাখা জায়েয বলছেন— তারা কি তা শর্ত সাপেক্ষ জায়েয বলছেন, না সর্বাবস্থায় জায়েয বলছেন?

যদি বলেন— ‘সর্বাবস্থায়’। তাহলে আপনি ফুকাহাদের কথা বুঝেননি।

আর যদি বলেন— ‘শর্তসাপেক্ষে’। তাহলে পরের প্রশ্ন আসবে, ঐ শর্তগুলো তারা যখন যুক্ত করছেন তখনকার জামানায় শান্তি, নিরাপত্তা, বিচার ব্যবস্থা ও মেয়েদের প্রতি অবিচার বা অনাচার হলে দ্রুত প্রদক্ষেপ নেওয়া আর বর্তমান জামানার এই সবকিছুর ব্যবস্থা কি এক? যদি এক না হয় তাহলে যে ফুকাহাদের কথায় ‘প্রয়োজনের কারণে চেহারা খোলার অনুমতি আছে’ সেখানে এই কথাও তো আছে ফিতনার বা সাহওয়াতের আশংকা হলে ঢেকে রাখা ফরজ /ওয়াজিব। এই ইবারতগুলো কি অর্থ থাকে যদি উম্মাহর এই ভয়াবহ ফিতনাহর মূহুর্তেও ‘বিষয়টি তো বৈধ ইখতেলাফ’ আর ‘অনেক ফুকাহা তো বলেছেন’ বলে নিকাব খুলে নারী পুরুষ উভয়কে ফিতনাহ তে আরো বেশি করে জড়িয়ে দেওয়া হয়!

 

৩. কুরআন-হাদিসে তো মুখা ঢাকার কোনো আদেশ নেই৷

এটাই হলো আসল পুরোনো কাসুন্দি। এই কাসুন্দিকে নতুন রূপ দিতেই উপরের কথাগুলো বলা হয়ে থাকে৷

এখন প্রশ্ন হলো— কুরআন-হাদিসে পর্দার কথা এসেছে কি না? সকলেই একমত এসেছে।

যদি এসে থাকে তাহলে ঐ সমস্ত আয়াতগুলোর মধ্যে প্রসিদ্ধ একটি আয়াত নিয়ে দেখি, ঐ আয়াতের ব্যাখ্যায় সাহাবা, তাবেয়িন ও সালাফগণ কি বুঝেছেন এবং কিভাবে আমল করেছেন। কারন কুরআনের আয়াতের সঠিক বুঝ তো সালাফদের বুঝ থেকেই নিতে হবে। এবং আমলের পদ্ধতিও সালাফদের শিখানো পদ্ধতিতেই করতে হবে। এবং এটাই নিরাপদ। এর বাহিরে বুঝা বা কিছু করা গোমড়াহির অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুক। আমীন।

 

নিকাব বিষয়ে কুরআনের প্রসিদ্ধ একটি আয়াত :

يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا.

‘হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীদের, আপনার কন্যাদের ও মুমিনদের নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের জিলবাবের একাংশ নিজেদের (মুখের) উপর নামিয়ে দেয়।’-সূরা আহযাব : ৫৯

এই আয়াতে ‘জিলবাব’-র ব্যাখ্যায় আল্লামা কুরতুবী রহ. বলেন—

– قوله تعالى: (مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ) الْجَلَابِيبُ جَمْعُ جِلْبَابٍ، وَهُوَ ثَوْبٌ أَكْبَرُ مِنَ الْخِمَارِ…….. وَالصَّحِيحُ أَنَّهُ الثَّوْبُ الَّذِي يَسْتُرُ جَمِيعَ الْبَدَنِ.

‘আয়াতে ‘জালাবিব’ এটা ‘জিলবাব’ শব্দের বহু বচন। তা ওড়না থেকে বড় কাপড়।….. তবে সঠিক কথা হলো— জিলবাব’ অর্থ বড় চাদর, যা দ্বারা মুখমন্ডল ও পূর্ণ দেহ আবৃত করা যায়।(আলজামি লিআহকামিল কুরআন, কুরতুবী ১৪/২৪৩)

আয়াতে ‘জিলবাব’-র কথা এসেছে। আর কুরতুবী রহ. জিলবাবের ব্যাখ্যা করেছেন যা দ্বারা সমস্ত শরীর ঢেকে ফেলা যায়৷

এখন প্রশ্ন হলো—কুরতুবী রহ.-র এই ব্যাখ্যা সঠিক কি না? এবং পুরো শরীরের মধ্যে চেহারা অন্তর্ভুক্ত হবে কি না?

 

এই দুই প্রশ্নের উত্তরে আমি এইখানে সংক্ষিপ্ত আকারে কয়েকটি আলোচনা করবো। ইনশাআল্লাহ এতে উপরের দুটো প্রশ্নেরই সুন্দর উত্তর পাওয়া যাবে বলে আশা রাখি৷

(ক) আয়াত থেকে সালাফগণ কী বুঝেছেন?

(খ) সালাফগন কীভাবে আমল করেছেন?

 

(ক) আয়াত থেকে সালাফদের ফাহম :

১. সাহাবায়ে কেরাম :

আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, আল্লাহ তাআলা মুমিন নারীদেরকে আদেশ করেছেন যখন তারা কোনো প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবে তখন যেন মাথার উপর থেকে ওড়না বা চাদর টেনে স্বীয় মুখমন্ডল আবৃত করে। আর চলাফেরার সুবিধার্থে শুধু এক চোখ খোলা রাখে।( তাফসির ইবনে কাসির ৩/৭৫২)

২. তাবেয়ীনে কেরাম :

১. মুহাম্মদ ইবনে সীরীন রহ. বলেন— আমি আবিদা আসসালমানি রহ.কে এই আয়াতের ব্যাখ্যা জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি তার চেহারা এবং মাথা ঢেকে দিলেন৷ আর বাম চোক শুধু খোলা রাখলেন। (তাফসির ইবনে কাসির ৩/৭৫২)

২. ইসমাঈল ইবনে উলাইয়্যা রাহ. এ আয়াতের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে একটি চাদর নিলেন এবং ঘোমটার মতো পরে মাথা-মুখ ঢেকে ফেললেন। কপাল, নাক ও বাম চোখও ঢাকলেন, ডান চোখ খোলা রাখলেন। এরপর বললেন, ‘এভাবে আমাদেরকে চাদর পরে দেখিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আওন, তাঁকে দেখিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন, আর তাঁকে দেখিয়েছেন আবীদা ইবনে আম্র সালমানী রাহ. (যিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর শাগরিদ ও শীর্ষস্থানীয় তাবেয়ী)’।

(তাফসিরে তবারী, এই আয়াতের অধীনে।)

 

(খ) সালাফদের আমল :

১. মুহাজিরা সাহাবীদের আমল :

عن عائشة رضي الله عنها قالت: يرحم الله نساء المهاجرات الأول، لما أنزل الله : وليضربن بخمرهن على جيوبهن شققن مورطهن فاختمرن بها.

হযরত আয়েশা রা. বলেন—আল্লাহ তাআলা প্রথম শ্রেণীর মুহাজির নারীদের প্রতি দয়া করুন। আল্লাহ তাআলা যখন

وليضربن بخمرهن على جيوبهن

আয়াত নাযিল করলেন তখন তারা নিজেদের চাদর ছিঁড়ে তা দ্বারা নিজেদেরকে আবৃত করেছিলেন।(সহীহ বুখারী হাদিস নং ৪৭৫৮)

উপরোক্ত হাদীসের ব্যাখ্যায় হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন— ‘ফাখতামারনা’ অর্থ তারা মুখমন্ডল আবৃত করেছেন।আর চেহারা ঢাকার ধরন হলো ওরনা বা চাদর মাথার উপর দিয়ে বাম দিকে পেছিয়ে ডান দিকে ঘাড়ের উপর মুখোস পড়ার মত করে রাখবে ( ফাতহুল বারী ৮/৩৪৫)

 

২. আনসার সাহাবিয়াদের আমল :

عن أم سلمة قالت لما نزلت يدنين عليهن من جلابيبهن خرج نساء الأنصار كأن على رءوسهن الغربان من الأكسية،

হযরত উম্মে সালামা রা. বলেন— যখন আয়াত নাজিল হলো

يدنين عليهن من جلابيبهن

(নারীরা জিলবাব দ্বারা নিজেদের আবৃত করে নিবে)

আনসারী নারীরা নিজেদের ঘর থেকে এমনভাবে কাপড় পেছিয়ে আবৃত হয়ে বের হতেন যেনো তাদের মাথার উপর কাক বসে আছে। (সুনানে আবু দাউদ হাদিস নং: ৪১০১)

 

৩. হযরত আয়েশা রা.-র আমল :

عن عائشة قالت كان الركبان يمرون بنا ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم محرمات فإذا حاذوا بنا سدلت إحدانا جلبابها من رأسها على وجهها فإذا جاوزونا كشفناه،

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তাঁর হজ্বের বিবরণে বলেছেন, ‘আমরা ইহরাম অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে থাকতাম। যখন পথচারীরা আমাদের সামনে আসতো আমরা মাথার থেকে জিলবাব টেনে (নিকাব) চেহারা ঢেকে ফেলতাম৷ আর চলে যাওয়ার পর খুলে ফেলতাম৷ (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ১৮৩৩; সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস : ২৯৩৫)

নোট : আয়েশা রা. এখানে শুধু নিজের একার আমল নয়। তার সাথে অন্যান্য সাহাবিয়াদের আমলের কথা বলছেন।

 

৪. আসমা বিনতে আবু বকর রা.-র আমল :

عن أسماء بنت أبي بكر ، رضي الله عنهما قالت : كنا نغطي وجوهنا من الرجال ، وكنا نتمشط قبل ذلك في الإحرام.

هذا حديث صحيح على شرط الشيخين ، ولم يخرجاه.

আসমা বিনতে আবু বকর রা. বলেন, ‘আমরা পুরুষদের সামনে মুখমন্ডল আবৃত রাখতাম।…’(আলমুসতাদরাক, হাকিম ১/৪৫৪)

(হাকেম রহ. বলেন— হাদিসটি বুখারী ও মুসলিম রহ. দের শর্তনুযায়ী সহিহ)

 

এই ছিলো উক্ত আয়াত থেকে সালাফদের ফাহম ও আমলের কিছু সংক্ষিপ্ত উদাহরণ। এখানে অনেক অনেক দলিল জমা করা আমার উদ্দেশ্য নয়। এবং করিওনি। শুধু উদ্দেশ্য হলো— ‘মুখ খোলা রাখতে সমস্যা নেই’ বলে কিছুদিন পর পর নতুন কথা উস্কে দেওয়ার আগে যদি সালাফদের ফাহম আর আমলগুলো দেখে নিতাম, নারীর পর্দার ব্যাপারে ইসলামের মৌলিক কি উদ্দেশ্য সেটা একটু গভির থেকে উপলব্ধি করতাম তাহলে এই ধরনের কথা বলে পুরান ফিতনাকে নতুন মোড়কে আর নিয়ে আসতাম না। আল্লাহ আমাদের দ্বীনের মাঝে বুঝে না বুঝে ফিতনা করা থেকে হিফাজত করুক। আমীন।

এই বিষয়ে যদি আরো বেশি দলিলের প্রয়োজন হয় তাহলে আমি সাধারণ পাঠকের জন্যে মাসিক আলকাউসার, মুফতি তাকী সাহেবের ফিকহি মাকালার চতুর্থখণ্ড (যা অনুদিত হয়েছে) আর মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা হাদিস, শুরুহে হাদিস ও ফিকহের বইতে প্রচুর দলিল পাবেন।

 

যদি দ্বীনকে দ্বীনের মত করে মানার ইচ্ছে থাকে তাহলে অল্পকিছু দলিলই যথেষ্ট। আর যদি আরো দলিলের প্রয়োজন হয়— তাহলে ওলামায়ে কেরামের কাছে যান। বা কুরআন-হাদিস ও মাকাসেদে শরয়িয়্যার সঠিক প্রয়োগ বুঝে অধ্যাবসা করুন। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ সঠিকটা বুঝার তাওফিক দিবেন।

আল্লাহ আমাদের সর্বক্ষেত্রে সিরাতে মুসতাকিম দান করুন। আমীন।

 

তথ্যপঞ্জি :

১] কুরআনুল কারিম

২] সহিহুল বুখারী, শুয়াইব আল-আরনাউত তাহকিকৃত নুসখা, মুয়াসসাসাতুর রিসালা, প্রথম মুদ্রণ ২০১১।

৩]সুনানে আবি দাউদ, হিন্দুস্তানী নুসখা।

৪]সুনানে ইবনে মাজাহ, হিন্দুস্তানী নুসখা।

৫]মুসতাদরাকে হাকেম। (শামেলা ভার্সন)

৬]তাফসিরে তবারী।

৭]তাফসির ইবনে কাসীর, মুস্তাফা আল-খনের তাহকিককৃত নুসখা, মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ,প্রথম মুদ্রণ ২০১২।

৮]ফাতহুল বারী, ইবনে হাজার আসকালানী। অনলাইন সংস্করণ। লিংক:

https://islamweb.net/ar/library/index.php?page=bookcontents&idfrom=8609&idto=8610&bk_no=52&ID=2532

৯]আলজামি লিআহকামিল কুরআন, কুরতুবী। (শামেলা ভার্সন)

Facebook Comments

Write A Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: