Category

আহমদ উসমান

Category

স্পেন বিজয়। ২৮ রমজান, ৯২ হিজরি। – উমাইয়া খেলাফতের তখন স্বর্ণসময়। রাজধানী দামেশকের মসনদে উমাইয়া বংশের অন্যতম শাসক খলিফা আল-ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক সমাসীন। খলিফা আল-ওয়ালিদের নিয়োগে উত্তর আফ্রিকার গভর্নর ছিলেন মুসলিম সেনাপতি মুসা বিন নুসাইর। মূসা বিন নুসাইর ছিলেন ইতিহাসের সাহসী এক মুসলিম বীর। যার ঘোড়া ছুটে বেড়িয়েছে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা। তার নেতৃত্বেই মরক্কো পর্যন্ত আফ্রিকার বিশাল অঞ্চল দিগ্বিজয়ী মুসলিম বাহিনী দখল করেছে। আর মরক্কোর ওপাড়েই রয়েছে স্পেন।স্পেনই ছিল…

বাবাক খুররামি ছিল এক দুর্ধর্ষ বিদ্রোহী। অগণিত নিরপরাধ মানুষের হত্যাকারী। দীর্ঘদিন আব্বাসিয়রা শত চেষ্টা করেও তাকে দমাতে পারেনি। প্রতিবারই সে নতুনভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে৷ শেষতক ২২২ হিজরিতে খলিফা মু’তাসিম প্রেরিত সেনাপতি আফসিন বাবাককে কোনঠাসা করে ফেলে। এ সময় বাবাক রোম সম্রাট তুফাইল বিন মিখাইলকে আব্বাসিয়দের উপর হামলা করার আহবান জানিয়ে একটি পত্র প্রেরণ করে৷ পত্রে সে লেখে, খলিফা এই মুহুর্তে তার অধিকাংশ ফৌজ আমার বিরুদ্ধে প্রেরণ করেছে। সীমান্ত খালি পড়ে আছে৷…

৪ এপ্রিল, ১৯৯৬। আজ থেকে ২৪ বছর পূর্বে ঠিক আজকের এই তারিখ। দিনটি ছিল বিষ্যুদবার। বসন্ত সকালের অবাধ্য রোদ তীব্র হতেই কান্দাহারে বসেছে ১৫,০০ আলেম, বরেণ্য ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও জিহাদি নেতৃবৃন্দের ছোটখাটো এক সমাবেশ। উপস্থিত ছিলো ৩৫ বছরের এক টগবগে যুবক। একেবারে সাদামাটা, গায়ে পুরনো একটা চাদর জড়ানো, মাথায় লম্বা পাগড়ি এলোমেলোভাবে পেচানো। উলামাদের সাথেই জড়োসড়ো হয়ে বসে আছেন। দেখতে নেতৃত্ব সুলভ বৈশিষ্ট্যের কোন ছাপ স্পষ্ট না, অথবা বিশিষ্ট কেউ…

এককালে তিন মহাদেশে রাজত্ব করা ইসলামবুলের খিলাফতে উসমানীয়্যাহর পতন ঘটলো। ফলস্বরূপ কাফেরদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ করে প্রতিরোধ গড়ে তুলার মতো সর্বশেষ রাষ্ট্রটিরও সমাপ্তি হলো। তা সত্ত্বেও মুসলিম জাতির জিহাদি চেতনায় কোন ভাটা পড়লো না, ঐতিহ্যের সন্ধানীরা আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বেরিয়ে পড়লো। তার মধ্যে অন্যতম হলেন সোমালিয়ায় সাইয়েদ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ হাসান রাহিমাহুল্লাহ- এর দরবেশ আন্দোলন। তখন পৃথিবীজুড়ে ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর ঔপনিবেশিকতার রোগ মাথা চড়া দিয়ে উঠে। মিশর, লিবিয়া,…

জুলাই, ১৯২১ সাল। জেনারেল ফারনান্দেজ সিলভেস্টের নেতৃত্বে প্রায় পঁচিশ হাজার স্প্যানিশ সৈন্য মার্চ করছে মাগরিবের রিফ অঞ্চলের দিকে। লক্ষ্য মুসলিম ভূমিতে দখলদারিত্বের বিরোধী জিহাদ পরিচালনাকারী রিফের ইসলামী ইমারাতের আমীর ও গেরিলা মুজাহিদীন বাহিনীকে চিরতরে দুনিয়ার বুক থেকে মিটিয়ে দেয়া। তাদের সাথে তৎকালীন সময়ের সর্বাধুনিক রাইফেল, ভারী আর্টিলারি গান সেই সাথে রয়েছে কয়েকটা যুদ্ধবিমান। রিফের আমীর সিদ্ধান্ত নিলেন শত্রু বাহিনী রিফে মাগরিবে (অর্থাৎ মরক্কোর গ্রাম্য দিক) ঢুকে মুসলিমদের উপর গণহত্যা চালানোর…

চে গুয়েভারা বলতেই আমরা অজ্ঞান। অনেক বড় বিপ্লবী ছিল হেন তেন। অথচ হাল যামানার আমাদের এমন অনেক বীর আছেন যাদের একেকজন ছিলেন পুরো একটা বাহিনী। যাদের নাম শুনলে শত্রুরা পালানোর পথ খুঁজতো। তাদের একজন মূর্তমান আতংক আমির আল খাত্তাব। যিনি রাশিয়ান লাল ফৌজের মাঝে ত্রাস সৃষ্টি করেছিলেন। তিনি ১৯৯৫ সালে চেচেনের স্বাধীনতাযুদ্ধে সম্মুখসমরে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। বেশ কয়েকটি যুদ্ধে হাতেগোনা মুজাহিদ নিয়ে শক্তিশালী রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয়লাভ করেছেন। প্রতিটি ফ্রন্টে…

উনিশ শতকের শেষলগ্নে। উসমানীয় খিলাফতের একদম ভঙ্গুর অবস্থা। সেই সময় ফ্রান্স সরকার মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে নিয়ে একটি ব্যঙ্গাত্মক নাটক মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা করে। এমনকি ঐ নাটকের টিকেটও বিক্রি করা হয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে উসমানী খিলাফতের সাহসী সুলতান আব্দুল হামিদ খাঁন আস সানি (রাহিমাহুল্লাহ) ফ্রান্স সরকার কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে নিয়ে ঐ ব্যঙ্গাত্মক নাটকটি বন্ধ করতে বলে বার্তা পাঠান। উত্তরে ফ্রান্স সুলতানকে তাদের দেশের…

Pin It
error: Content is protected !!