শিয়াদের কুফরের বাস্তবতা ও বিধান | রশিদ আহমদ লুধিয়ানবী রহ.

shia

প্রশ্ন : শিয়াদের অপকর্ম তো স্পষ্ট। কিন্তু তাদের কাফের ফতোয়া দেওয়ার কারনগুলো কী কী ? একটু বিস্তারিত বললে উপকৃত হবো। এবং তাদের জবাইকৃত পশু ও তাদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া কী বৈধ?

উত্তর :
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

শিয়াদের কুফরীর কারণ অসংখ্য। তার মধ্যে সকল মানুষের নিকট যে বিষয়গুলো প্রসিদ্ধ এবং শিয়াদের প্রায় সব কিতাবে যে আকিদাগুলো লিপিবদ্ধ আছে তা নিম্নরূপ-
১. বর্তমান কুরআন বিকৃত।
২. আল্লাহ তায়ালার ব্যাপারে ‘আকিদায়ে বাদাহ’।
৩. আম্বিয়া আ.-র দিকে তাকিয়ার মত নিফাকের সম্বন্ধ।
৪. হযরত আবু বকর রা.কে কাফের ও মুনাফিক বলা।
৫. হযরত আবু বকর রা.-র সাহাবিয়্যাতকে অস্বীকার করা।
৬. হযরত আবু বকর রা.-র খিলাফতকে অস্বীকার।
(এই বিষয়টি শিয়াদের প্রত্যেক মুয়াজ্জিন তাদের বিকৃত ও মনগড়া আজানে লাউডস্পিকারে ঘোষনা করে থাকে।)
৭. হযরত ওমর ফারুক রা.কে কাফের ও মুনাফিক বলা।
৮. হযরত ওমর ফারুক রা.-র সাহাবিয়্যাতকে অস্বীকার করা।
৯. হযরত ওমর ফারুক রা.-র খিলাফতকে অস্বীকার।
(এই বিষয়টি শিয়াদের প্রত্যেক মুয়াজ্জিন তাদের বিকৃত ও মনগড়া আজানে লাউডস্পিকারে ঘোষনা করে থাকে।)
১০. হযরত উছমান রা.কে কাফের ও মুনাফিক বলা।
১১. হযরত উছমান রা.-র সাহাবিয়্যাতকে অস্বীকার করা।
১২. হযরত উছমান রা.-র খিলাফতকে অস্বীকার।
(এই বিষয়টি শিয়াদের প্রত্যেক মুয়াজ্জিন তাদের বিকৃত ও মনগড়া আজানে লাউডস্পিকারে ঘোষনা করে থাকে।)
১৩. তিনজন সাহাবা ছাড়া বাকি সকল সাহাবাদেরকে কাফির ও মুনাফিক বলা।
১৪. হযরত আয়েশা রা.-র পবিত্রতা কুরআন থেকে প্রমানিত। এই অভিশপ্ত শিয়ারা এই বিষয়টি অস্বীকার করে। এবং নাউজুবিল্লাহ উনাকে যিনার অপবাদ দিয়ে মিথ্যুক বলে ও কুরআনে ভুল এসেছে প্রমান করে।
১৫. নিজেদের ইমামদের নিষ্পাপ ও গায়েবজান্তা মনে করে।
১৬. শিয়ারা খতমে নবুওয়াতের অস্বীকারকারী। কারণ তাদের বিশ্বাস হলো তাদের ইমামদের মাঝে নবুওয়াত চলোমান রয়েছে।
১৭. ‘মুতা’-র মত জঘন্য ও নির্লোজ্জ কাজকে শুধু হালালই নয় বরং ছাওয়াবের এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যম মনে করে।

উপরে উল্লেখিত কুফরি আকিদার কারনে এই অভিশপ্তরা শুধু কাফেরুই নয়, খ্রিস্টান ও ইয়াহুদিদের থেকেও নিকৃষ্ট কাফের।
ইয়াদের জবাইকৃত পশুর গোশত খাওয়া হারাম ও তাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক করা অবৈধ। শিয়াদের আহলে কিতাব মনে করা স্পষ্ট ভুল। কারন তারা বাহ্যিকভাবে ইসলাম প্রকাশ করে এবং ভিতরে তাদের বিকৃতইসলাম ও ইলহাদের মাধ্যমে মুসলিমদের ইসলাম থেকে বের করে দেওয়ার কাজে ততপর থাকে।এমন ব্যক্তিদের শরীয়তের ভাষায় যিন্দিক বলা হয়। আর যিন্দিকের হুকুম হলো-
১. রাষ্ট্রপ্রধানের উপর আবশ্যক হলো তাদের আকিদা যাচাই করে তাদের হত্যার হুকুম দিবে।
২. গ্রেফতারের পর তাদের তওবা কবুল করা হবেনা।
৩.তাদের জবাইকৃত পশু হারাম।
৪. তাদের সাথে বিবাহ অবৈধ।

এই অভিশপ্তগুলো শুধু ইসলামের আকিদার মাঝেই বিকৃতি ঘটায়নি বরং ইসলামের অন্যতম মৌলিক বিধান নামায-রোযা হজ্ব-যাকাত বিবাহ-তালাক ইত্যাদির পরিবর্তন পরিবর্ধন করে নিজেদের বিকৃত ইসলাম তাতে প্রবেশ করিয়েছে। এজন্য এদের মুসলমানদের মাঝের একটি দলভাবা সুস্পষ্ট ভুল। এই অভিশপ্তফা আকিদাসহো নামাজ রোজা হজ ইত্যাদিতেও ইসলামের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধর্ম।

এই বাস্তবতা যেহানে ভালো করে বসিয়ে নিন —এই ফিরকার সৃষ্টি মুসলমানদের মাযহাবী ইখতেলাফ থেকে নয়। ইসলামের বিরুদ্ধে ইহুদীদের চক্রান্ত থেকে।

শিয়াদের বিষয়ে আমাদের মৌলিকভাবে দুটো ভুল ধারণা আছে।

১. শিয়াদের কিছু ফিরকা বা ব্যক্তিরা ‘কোরআন বিকৃতি’ বা ‘নবীদের উপর তাদের ইমামদের মর্যাদা বেশি’ এই বিশ্বাস রাখে না.।
২. তাদের সাধারন মানুষরা এই বিকৃত আকিদা গুলোর ব্যাপারে জানেনা।

যে সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এই দুই ভুল ধারণায় লিপ্ত তারা শিয়াদের মৌলিক কিতাবাদি সম্পর্কে অজ্ঞ এবং শিয়াদের আওয়ামাদের সঠিক তথ্য সম্পর্কে পূর্ণ বে-খবর।

বাস্তবতা হলো, শিয়াদের প্রতিটি পুরুষ– মহিলা বুড়ো,বাচ্চা— প্রত্যেক ব্যক্তিই ‘কুরআন বিকৃতি’ আকিদায় বিশ্বাসী। তাদের প্রত্যেক ব্যক্তি চাই সে যতই মুর্খ হোক এই আকিদা তার অন্তরে বদ্ধমূল। আকিদায়ে ‘কুরআন বিকৃতি’ শিয়াদের সকলের কাছে এতটাই স্বীকৃত, দিবালোকের মতো স্পষ্ট এবং তাদের দ্বীনের মৌলিক অংশ যে, মুসলমানদের নিকট কুরআনের সত্যতা ও নামাজ-রোজা যেমন।

যদি এই অসম্ভব বিষয়টিকে আমরা মেনেও নেই যে শিয়াদের সাধারণ ব্যক্তিবর্গ এই আকিদা সম্পর্কে জানেনা তাও তাদের উপর কুফর ও যিন্দিকের হুকুম লাগাতে কোন সমস্যা নেই। কেননা কোনো ধর্মে অন্তর্ভুক্ত হতে গেলে ঐ ধর্মের প্রতিটি আকিদা বিস্তারিত জানা জরুরী নয়। উক্ত ধর্মের দিকে সম্বন্ধ হওয়াই যথেষ্ট। যেমন কোনো ব্যক্তি মুসলমান হওয়ার জন্য এটা আবশ্যক নয়, ইসলাম আকিদার প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান। বরং এতোটুকুই যথেষ্ট যে নিজেকে ইসলাম ধর্মের দিকে সম্বন্ধ করে অর্থাৎ ঈমানে মুজমাল অর্জন হওয়ার দ্বারাই সে ইসলামে প্রবেশ করবে। তবে শর্ত হলো ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক কোনো আকিদা রাখতে পারবে না।

সুতরাং প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি যে নিজেকে শিয়া দাবি করে সে কাফের এবং যিন্দিক। চাই সে শিয়াদের আকিদার পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান সম্পর্কে অজ্ঞ থাকুক।

এই বিষয়টি আমি মেনে নিয়ে লিখে দিলাম যে, ‘যদি এমন থাকে’। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই অভিশপ্তরা তাহরিফে কুরআনের আকিদা সম্পর্কে তাদের প্রত্যেক নবজাতক শিশুদের শিক্ষা দিয়ে থাকে। যেমন মুসলমানরা তাদের বাচ্চাদের জন্মের সাথে সাথে আল্লাহ, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কুরআনের মত মৌলিক আকিদা শিক্ষা দেয়।

শিয়াদের প্রতিটি বাচ্চা জন্ম হওয়ার সাথে সাথে তাদের অন্তরে ‘তাহরিফে কুরআন’-র আকিদা এমনভাবে বদ্ধমূল করে দেওয়া হয় যে, তা তাদের অন্তরের ভিতর পৌঁছে যায়। এবং তাদেরকে কাফের ও যিন্দিক বানিয়ে ছাড়ে।

এই চূড়ান্ত ধোঁকাবাজ ও বিশৃংখলাকারীরা সর্বদা মুসলমানদের ধ্বংস করার চক্রান্তে নিয়োজিত থাকে এবং এরা দাগাবাজি ও চক্রান্ত শাস্ত্রে পুরো দুনিয়ায় নাম্বার ওয়ান। ইহুদিদের তৈরি যে ধর্মের সৃষ্টিই হয়েছে মুসলমানদের হিংসা-বিদ্বেষ ও ধ্বংস করতে, এরকম চতুরজাতি নিজেদের আগত প্রজন্মকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে তৈরি করা এবং তাদের দিল-দিমাগে নিজেদের ধর্মের মৌলিক বিষয় শিখাবে না, এটা মেনে নেওয়া শুধু অজ্ঞতাই নয় বরং চূড়ান্ত পর্যায়ের বোকা ও ধোঁকায়লিপ্ত হওয়ার শামিল।

এই অভিশপ্তদের ধর্মের মৌলিক বুনিয়াদ হলো ‘তাকিয়া’-র উপর। এই জন্য যদি কোনো শিয়া কুরআনের উপর ঈমানের দাবী করে তাহলে নিঃসন্দেহে বুঝে নিতে হবে এই ব্যক্তি ‘তাকিয়া’ করছে। এরকম উদাহরণ তাদের কিতাবে রয়েছে। যখন শিয়াদের কাছে ‘কুরআন বিকৃত’-র আকিদা আছে এমন কিতাবসমূহ পেশ করা হয়, তারা বলে— ‘আমাদের প্রত্যেকেই সতন্ত্র গবেষক। তাই যে লেখক এই বই লিখেছে এটা তার বক্তব্য। এটা আমাদের জন্য দলিল নয়’।

তাদের এই ধরনের মুখোশ উম্মোচন করতে দুটো কাজ করবেন।

ক) কুরআন বিকৃতির আকিদা ‘উসুলে কাফি’তে আছে। আর এই বই সম্পর্কে তাদের আকিদা হলো— ‘ইমাম মাহদী এই কিতাবের সত্যায়ন করেছে’।

শিয়ারা ইমাম মাহাদীর এই সত্যায়নকে বইয়ের মলাটে দিয়ে দিয়েছে। আর তাদের আকিদা হলো— তাদের ইমামগন সমস্ত ভুলত্রুটি থেকে মুক্ত, গায়েব সম্পর্কে অবগত এবং নবীদের থেকেও বেশি মর্যাদাবান। এইজন্য ‘উসুলে কাফি’তে লেখা ভুল হলে তাদের ইমামদের ইসমত তথা ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে এই আকিদা অস্বীকারকারী হবে।

খ) ‘যতজন লেখক কুরআন বিকৃতির আকিদার কথা লিখেছে তাদেরকে কাফের বলো৷ আর এই ধরনের যত কিতাব আছে সবগুলো পুড়িয়ে দাও এবং খবরের কাগজে তোমাদের এই বক্তব্য প্রকাশ করো।’

আমি শতভাগ নিশ্চয়তা সাথে এই কথা বলতে পারি তামাম দুনিয়ার কোনো শিয়া এই কাজ কখনো করবে না। কোনো ব্যক্তি যদি চান এটা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

আমি এই অভিশপ্ত শিয়াদের এলাকাগুলোতে বিশেষ করে তাদের মহল্লাসমূহতে, তাদের ইমামবাড়ার সামনে বড় বড় মজমায় এ’লান করেছি—

‘যে শিয়া এই ভরা মজমায় ‘উসুলে কাফি’তে আগুন জ্বালিয়ে দিবে এবং তার লেখককে কাফের বলবে আর তার কথা ও এই কাজকে খবরের পাতায় ছাপাবে, আমি তাকে এক লাখ রুপিয়া পুরস্কার দিবো। এই টাকা জমা করার জন্য আমার চাঁদা তোলা লাগবেনা।আমার আল্লাহ আমাকে অনেক দিয়েছে। তাই যতজন এই কাজ করবে প্রত্যেককেই আমি এক লাখ রুপিয়া দিবো। কিন্তু আজ পর্যন্ত এমন কোনো শিয়া পয়দা হয়নি এবং কিয়ামত পর্যন্ত হবেওনা, যে এই কাজ করবে।

এরপরও কি কোনো ব্যক্তির এই নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার কোনো অবকাশ আছে যে—‘শিয়াদের প্রত্যেক ব্যক্তি কাফের এবং যিন্দিক।’

কোনো মুসলমান এরকম নির্লজ্জ হওয়াকে সহ্য করতে পারবে?

কিছু কিছু মুসলমান এই কথা বলে— আমাদের প্রতিবেশী শিয়া তাদের সাথে দীর্ঘ দিনের পুরনো সম্পর্ক, অমুক শিয়া আমাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ সাথী, অমুক শিয়া আমার কাজ কর্মের সাথে অংশীদার, এজন্য তার সাথে আমার বন্ধুত্ব। এদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা তো একটি সমস্যা এবং ব্যক্তিত্ব ও মানবতার সাথে সাংঘর্ষিক একটি বিষয়।

এই সমস্ত ব্যক্তিদের এই কথা বলবেন— কেউ যদি তোমার মা বা মেয়েকে অশ্লীল মেয়ে বলে গালি দেয় তখন আপনি কি ব্যক্তিত্ব ও মানবতার কারণে তার সাথে সম্পর্ক রাখবেন? অথচ এই অভিশপ্ত শিয়ারা উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা.-র শানে এই ধরনের কথা বলে। যেখানে আল্লাহ স্বয়ং উনার পবিত্রতা ঘোষণা দিয়েছে কুরআনে। কিন্তু এই অভিশপ্ত শিয়ারা আল্লাহর কুরআনকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে।

হযরত আয়েশা রা.কে?

১. পুরা উম্মতের মা উম্মাহাতুল মুমিনীন দের মধ্যে সর্বোত্তম।
২. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনেক মহব্বতের স্ত্রী এবং বিবিদের মধ্যে সবচেয়ে নিকটবর্তী।
৩. পুরো মতের সর্বোত্তম ব্যক্তি ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সবচেয়ে নিকটতম সাথী ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু এর মেয়ে।

এখন ভেবে দেখুন, আপনার মা, দুজাহানের সরদার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী, উম্মাহর সর্বোত্তম ব্যক্তি হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর মেয়ের ব্যাপারে যারা এরকম বলে,কুরআনকে যারা মিথ্যা সাব্যস্ত করে, পুরো উম্মতের ‘মা’কে যিনাখোর যারা বলে, তাদের সাথে সম্পর্ক রাখাকে কিভাবে মেনে নেন?

আমাকে বলুন এই ধরনের লোক কি চূড়ান্ত পর্যায়ের বদদ্বীন ও ব্যক্তিত্বহীন নয়?

আপনি যদি এমন কোনো শিয়ায়ার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে না পারেন, তাহলে তার মা-বোন-মেয়ে-স্ত্রীকে যিনাখোর বলে দিন। এরপর দেখুন সে আপনার সাথে সম্পর্ক রাখে কিনা? রাখবেনা। এমনকি,
যদিও তাদের ধর্মে মুতার মত যিনা করা ছাওয়াবের কাজ, তারপরও তাদের মা বোনকে মুতাবাজি করার অভিযোগ করে দেখুন তারা তা পছন্দ করবে না। এবং আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে দিবে।

এই ইসলামের দুশমনদের মুখোশ উম্মোচন করে তাদের কুফরী এবং ধোঁকাবাজি গুলো আমি বিস্তারিত আমার বই ‘হাকিকতে শিয়া’তে উল্লেখ করেছি। এছাড়া শিয়াদের তাকফীরের ব্যাপারে ‘ওলামায়ে কেরামের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত’ নামে সাড়ে ৩৫০ পৃষ্ঠার বই প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে পুরো দুনিয়ার সমস্ত ওলামায়ে কেরামের সত্যায়ন আছে।

الله تعالى هو الهادي الى سبيل الرشاد،

রশিদ আহমদ
১৭, রবিউল আওয়াল ১৪১১হি.।

অনুবাদ সমাপ্ত
২২-২/১৪৪২হি.
১১-১০-২০২০ইং

তথ্যসূত্র :
আহসানুল ফাতওয়া ১০/৩৭-৪১।

Facebook Comments