ঈদসংখ্যা ২০২০

তাবুক যুদ্ধ : আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত | আশরাফুল ইসলাম সাদ

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr

সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন কাব বিন মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু। একদিকে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ, অন্যদিকে ভবিষ্যতের চিন্তা। কিন্তু নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ অবশ্যই পালন করতে হবে, তাই তিনি যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে দুটি সাওয়ারিও সংগ্রহ করলেন। পরক্ষণেই মনে হয় পাকতে থাকা ফসলের কথা। যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়েও কি যেন চিন্তা করে ঘরে ফিরে আসেন।
যুদ্ধকাফেলা রওয়ানা হয়ে গেছে, কিন্তু এই তো যাচ্ছি ভাবতে ভাবতে তিনি মদিনাতেই রয়ে গেলেন।(১)

নবম হিজরি, রজব মাস। মদিনায় প্রচণ্ড গরম। আমাদের দেশের নাতিশীতোষ্ণ গরম নয়, আরবের উষ্ণতম গরম। গরমে খেজুরে পাক ধরেছে। খেজুরের কাঁদিগুলো ভারে নুয়ে পড়ছে। মদিনাবাসী ঘরে সময় কাটাচ্ছে কম। বাগানকে বানিয়ে নিয়েছে অস্থায়ী আবাসস্থল।
তার উপর আবার দুর্ভিক্ষ চলছে। খেজুরের ফলন ভালো না হলে দুর্ভিক্ষ কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব। স্বপ্ন ঝুলছে খেজুরের কাঁদির সাথে।

এহেন পরিস্থিতিতে মদিনার আকাশে বাতাসে উৎকণ্ঠাও বিরাজ করছে। সকলের মাঝে চাপা উত্তেজনা। শুরাহবিল কর্তৃক নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দূত হত্যার জবাবে পরিচালিত ‘মুতা যুদ্ধের’ প্রতিশোধে চূড়ান্ত ফয়সালাকারী একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে রোমকরা।
মুসলমানদের উৎকণ্ঠা উমর বিন খাত্তাবের রাযিয়াল্লাহু আনহুর এই কথা থেকে ভালোভাবে বুঝে আসে, “ওই সময়ে আমরা গাসসানি সম্রাটকে ভয় করতাম। কারণ, বলা হয়েছিল যে, তারা আমাদের উপর আক্রমণ করবে। এ ভয়ে আমরা ভীত থাকতাম।’(২)

এমন সময় শাম হতে আগত তৈলবাহক দলের মাধ্যমে জানা গেল, হিরাক্লিয়াস (হিরাকল) ৪০ হাজার সৈন্যের সমন্বয়ে এক যুদ্ধাবাহিনী গঠন করেছে। এ বাহিনীকে ন্যস্ত করেছে রোমের একজন প্রখ্যাত কমান্ডারের অধিনায়কত্বে। তাছাড়া, নিজ পতাকার আওতায় খ্রিষ্টান গোত্রসমূহের মধ্যে লাখম, জোযাম ও অন্যান্য গোত্রগুলোও একত্রিত করেছে। তাদের বাহিনীর অগ্রবর্তী দলটি ‘বালকা’ নামক স্থানে পৌঁছে গেছে।(৩)

এ সংবাদের ভিত্তিতে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি বুঝতে পারলেন, রোমকদের আরব ভূমিতে ঢুকতে দেয়া ঠিক হবে না। ওদেরকে ওদের ভূমিতেই আটকে দিতে হবে।
যেই ভাবা সেই কাজ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধের ঘোষণা দিলেন। এবার আর তাওরিয়া (গোপনীয়তা) করলেন না। যুদ্ধে অংশগ্রহণে কারো ইচ্ছাধিকারও থাকলো না।
সাহাবীগণ রাযিয়াল্লাহু আনহুম বুঝতে পারলেন যুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে। প্রচণ্ড গরম, পথের দুর্গমতা, আর দুর্ভিক্ষ সত্ত্বেও সবাই নির্বিঘ্নে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেন। রাষ্ট্রীয় ফান্ড গঠন হলো। আর্থিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সাহাবা রাযিয়াল্লাহু আনহুমের মাঝে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল।

উসমান বিন আফফান রাযিয়াল্লাহু আনহু শাম রাজ্যের উদ্দেশ্যে একটি বাণিজ্য কাফেলা প্রস্তুত করছিলেন, যার মধ্যে ছিল পালান ও গদিসহ দু’শ উট আর দু’শ উকিয়া রৌপ্য (যার ওজন ছিল প্রায় ঊনত্রিশ কেজি)। সব কিছুই তিনি যুদ্ধের জন্য সাদকা করে দেন।
তারপর হাওদাসহ আরও একশ উট দান করেন। আরো এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা নিয়ে এসে নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোলে ঢেলে দেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণমুদ্রাগুলো উল্টে পাল্টে দেখতে দেখতে বললেন,
‘আজকের পর উসমান যা কিছু করবে তাতে তার কোনই ক্ষতি হবে না’।

এরপরও উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহু দান করেন, আরও সাদকা করেন। এমনকি তাঁর দানকৃত জিনিসের পরিমাণ নগদ অর্থ বাদে নয়শ উট এবং একশ ঘোড়া পর্যন্ত পৌঁছেছিল।
অন্যদিকে আব্দুর রহমান বিন আওফ রাযিয়াল্লাহু আনহু দু`শ উকিয়া রৌপ্য নিয়ে এলেন। আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সমস্ত সম্পদ নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খিদমতে সমর্পণ করলেন। আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া তাঁর পরিবারবর্গের জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। তাঁর দানের পরিমাণ ছিল চার হাজার দিরহাম। তিনিই সর্বপ্রথম নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে দান সামগ্রী নিয়ে আসেন। উমর বিন খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু দান করেন তাঁর অর্ধেক সম্পদ। অন্যান্য সাহাবিরাও যার যার সামর্থ্যানুযায়ী দান করেন। নারী সাহাবাগণও তাঁদের অলংকার খুলে খুলে দান করেন। বাকি থাকে শুধু মুনাফিকরা। পিছনে খঞ্জর মারার জন্য।(৪)

রজব মাসের এক বৃহস্পতিবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রওয়ানা করলেন তাবুক অভিমুখে। কাব বিন মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু রয়ে গেলেন মদিনাতেই। ভাবছিলেন, পরে এক সময় দ্রুত ঘোড়া ছুটিয়ে কাফেলায় মিলে যাবো। অথচ তা আর হয়ে উঠেনি।
কাফেলা চলে যাওয়ার পর একদিন কাব বিন মালেক রাযিয়াল্লাহু আনহু বের হলেন। মদিনার রাস্তায় শুধু মুনাফিকদের পেলেন। তিনি শঙ্কিত হয়ে গেলেন। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন, আলি রাযিয়াল্লাহু আনহু ও মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামা রাযিয়াল্লাহু আনহু মতান্তরে সিবা’ রাযিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া সবাই জিহাদে বের হয়ে গেছে। আলি রাযিয়াল্লাহু আনহুকে পরিবার দেখাশুনার জন্য আর মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামা রাযিয়াল্লাহু আনহুকে গভর্নর নিযুক্ত করে গেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তবে মুরারাহ ইবনে রাবি রাযিয়াল্লাহু আনহু, আর হিলাল ইবনে উমাইয়া রাযিয়াল্লাহু আনহুও তার মতো রয়ে গিয়েছিলেন।(৬)

এদিকে কাফেলা চলছে তাবুক অভিমুখে। সৈন্য সংখ্যা ত্রিশ হাজার। ইতোপূর্বে মুসলিম বাহিনী কখনই এত বড় সেনাবাহিনীর সমাবেশ ঘটাতে সক্ষম হয়নি। বিশাল এই বাহিনীতে খাদ্যসম্ভার এবং যানবাহনের যথেষ্ট অভাব ছিল। আঠার জনের প্রতিটি দলের জন্য ছিল মাত্র একটি করে উট। অনুরূপভাবে খাওয়ার জন্য প্রায়ই গাছের পাতা ব্যবহার করতে হতো। যার ফলে ঠোঁট ফুলে গিয়েছিল।

উটের অভাব থাকা সত্ত্বেও উট যবেহ করতে হতো, পাকস্থলী এবং নাড়িভূড়িতে সঞ্চিত পানি এবং তরল পদার্থ পান করার জন্য । তাই এ বাহিনীর নাম রাখা হয়েছিল ‘জায়শে উসরাত’ (অভাব অনটনের বাহিনী)।(৫)

কাফেলা তাবুকে পৌঁছল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিরাক্লিয়াস উদ্দেশ্যে পত্র লিখলেন। দিহইয়া আল-ক্বালবী রাযিয়াল্লাহু আনহু কে পাঠানো হলো দুত হিসেবে। পত্র পেয়ে সম্রাট ভীত হয়ে সভা ডাকেন। তিনি বলেন, এই লোকটি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কতটুকু এগিয়ে এসেছেন তা আপনারা জানেন। এখন তিনি তিনটি বিষয়ের যেকোন একটি গ্রহণে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
১. ইসলাম গ্রহণ, ২. জিযিয়া দিয়ে রাজ্য রক্ষা,
৩. যুদ্ধ করা।
আর আপনারা ধর্মীয় কিতাব পড়ে জানেন যে, তিনি আপনাদের কাবু করে ফেলবেন। তাই আসুন আমরা তার ধর্ম গ্রহণ করি বা জিযিয়ার শর্ত গ্রহণ করি।
এতে সবাই উত্তেজিত হয়ে পড়লে সম্রাট গা রক্ষার জন্য বলেন, আমি মূলত আপনাদের উত্তেজিত করতে এটি বললাম।

হিরাক্লিয়াস বনু তানুখের একজনকে দূত হিসেবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঠিয়ে বলে দেয়, তুমি তিনটি বিষয় লক্ষ করবে।
১. তিনি তাঁর পাঠানো পত্র সম্পর্কে কিছু বলেন কি না।
২. পত্র পাঠের সময় রাতের কথা বলেন কি না।
৩. তাঁর পিঠে লক্ষ্ করবে অস্বাভাবিক কিছু দেখ কি না।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাওয়ার পর তিনি দূতকে বললেন,
“হে তানুখি! আমি কিসরার কাছে পত্র পাঠিয়েছিলাম। আল্লাহ তাকে আর তার সাম্রাজ্যকে টুকরো টুকরো করে দিবেন। আর তোমাদের সম্রাটের কাছে পত্র পাঠিয়েছিলাম। সে তা রেখে দিয়েছে। জীবনে যতদিন কল্যাণ থাকবে ততদিন লোকেরা তার থেকে বিপদ আর দুর্যোগ পেতেই থাকবে”।

এরপর মুয়াবিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহুকে পড়ে শুনাতে বলেন। পত্রের এক জায়গায় সম্রাট লিখে ছিল, আপনি আমাকে প্রশস্ত জান্নাতের প্রতি আহবান করেছেন, যা মুত্তাকিদের জন্য তৈরী। তাহলে জাহান্নাম গেল কোথায়? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে উঠেন,
سبحان الله,این اليل اذا جاء النهار
“রাত্রি কোথায় থাকে যখন দিন আসে”!
সর্বশেষ দূতকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিঠের নবুওয়াতের সিলও দেখিয়ে দেন। (৭)

রোমকরা ভয়ে মোকাবেলা করতে এলো না। ফলে অন্যান্য গোত্রপ্রধানরা বুঝে ফেলল, আরব উপদ্বীপে একমাত্র অপ্রতিরোদ্ধ শক্তি হলো ইসলামী শক্তি। তাই তারা বশ্যতা স্বীকার করতে লাগল। আয়লার খৃষ্টান শাসনকর্তা ইউহান্না বিন রুবা জিযিয়া প্রদান করার শর্তে সন্ধিচুক্তি করেন। আযরুহ ও জারবা নেতৃবৃন্দও এসে জিযিয়া প্রদানের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন।

দাওমাতুল জান্দালের শাসনকর্তা উকায়দিরের কাছে ৪২০ জন অশ্বারোহী সৈন্যের একটি বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে খালেদ বিন ওয়ালিদ রাযিয়াল্লাহু আনহুকে প্রেরণ করা হয়। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে দেন,
‘তুমি তাকে জংলী নীল গাভী শিকার করা অবস্থায় দেখতে পাবে।’
হলোও তাই। চাঁদনী রাত, দুর্গটি পরিষ্কার দেখা যায়, এমন দূরত্বে পৌঁছে গেলে হঠাৎ দেখা গেল, একটি নীল গাভী বন থেকে বেরিয়ে এসে দুর্গদ্বারে শিং দিয়ে গুঁতো মারছে। এমন সময় উকায়দির গাভীটাকে শিকার করার জন্য লোকজন নিয়ে বের হলেন। এই সুযোগে খালেদ রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে বন্দি করে ফেললেন। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে আসলে সে বশ্যতা স্বীকার করে।

রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সম্মানজনক বিজয় নিয়ে মদিনায় ফিরছেন। কাব বিন মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু চিন্তিত হয়ে পড়েন। তিনি কী জবাব দিবেন? কীভাবে মুখ দেখাবেন?

রজবে যাত্রা করা কাফেলাটি পথে ত্রিশ দিন আর তাবুকে বিশদিন অবস্থান করে রমজানে মদিনায় পৌঁছে। তবে ইবনে ইসহাক রহ. এর মতে জুমাদাল উলা মাসে রওনা করে রজব মাসে ফিরে আসেন। অনেকের মতে এ মতটিই সঠিক। পথিমধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হত্যার ব্যর্থ অপচেষ্টা করে মুনাফিকরা।(৮)

কাব বিন মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে দেখা করেন। মুনাফিকরা মিথ্যা বলে পার হয়ে গেলেও তিনি তো মুমিন, যত দূর্যোগই আসুক সত্যই যাদের হাতিয়ার। তিনিসহ অপর দুই সাহাবি সত্য অবলম্বন করলেন।
ফলে তাদের উপর নেমে আসলো আল্লাহর পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় তাদের উত্তীর্ণ হতেই হবে।

আল্লাহর আদেশে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে সামাজিকভাবে বয়কটের ঘোষণা দিলেন। কেউ তাঁদের সাথে কথা বলে না। এমনকি কাছের বন্ধুটিও না। পরিবার পরিজনও না।
চরম অনুতাপে এভাবেই তাঁরা দিন কাটাতে থাকেন। কায়মনোবাক্যে মনিবের দরবারে তওবা করতে থাকেন। কাফেরদের পক্ষ থেকে নানা লোভনীয় প্রস্তাবনা আসলেও ঈমানী শক্তিতে তা প্রত্যাখ্যান করেন। পৃথিবীর দরবারে স্থাপন করেন আনুগত্যের অনন্য দৃষ্টান্ত। পঞ্চাশ দিন পর আল্লাহ তাঁদের তওবা কবুল করেন।

দুর্ভিক্ষের মাঝে জিহাদ আমাদেরকে যেভাবে দ্বীধাহীন আনুগত্যের শিক্ষা দেয়, ঠিক সেভাবেই আপন অপরাধ স্বীকার করে সকল শাস্তি মাথা পেতে নিয়ে আনুগত্য করা এবং আল্লাহর অভিমুখী হয়ে তওবা করার পদ্ধতিও সাহাবা চরিত আমাদেরকে শিক্ষা দেয়।
এ কারণেই তারা সেরা। অমর হয়ে আছেন মুমিন হৃদয়ে। কেয়ামত অবধি থাকবেন ইনশাআল্লাহ। তাদের পদাঙ্ক অনুসরণেই জ্বলে উঠবে কোটি মুমিনের চেতনার বাতিঘর। তাই! তাদের নামের শেষে আমরা পড়ি, রাযিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাযু আনহু।

তথ্যসুত্র :
১.৬.৭.আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ৫ম খণ্ড-ইসলামী ফাউন্ডেশন। তাবুক অভিযান অধ্যায়।
২.৩.৪.৫.৮.আর রাহিকুল মাখতুম। তাবুক যুদ্ধ – নবম হিজরীর রজব মাসে(غزوة تابوك في رجب سنة
٩ـ) অধ্যায়।

Tijarah-Shop

Facebook Comments

Write A Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: