Category

আব্দুল্লাহ তালহা

Category

কাফেলা এখনো মাদীনা মুনাওয়ারা থেকে অনেক দূরে এমন সময় একজন ব্যক্তি উন্মাদের মতো আচরণ করতে লাগলেন। নেমে গেলেন সাওয়ারি থেকে। নগ্ন পায়ে দৌঁড়াতে লাগলেন সবুজ গম্বুজ পানে। পায়ের নিচে ছোটো ছোটো পাথর। পাথরের আঘাতে ক্ষত হলো পদদ্বয়। রক্তও বের হয়ে আসলো। কিন্তু ছুটে-চলা মানুষটির কোনো বিকার নেই। বগলে জুতাজোড়া নিয়ে তিনি প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা আতহারের দিকে পাগলের মতো ছুটে চলেছেন। সঙ্গে থাকা দুয়েকজন সফরসঙ্গীও তাঁকে দেখে…

অনুবাদ: আবদুল্লাহ তালহা একই যোগ্যতার দু‘জন ব্যক্তিকে দুটি বোঝা বহন করতে দেওয়া হলো। একজন এমন অবস্থা প্রকাশ করল যেন তার কাঁধে দুটি বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরেকজন মনের সুখে গান গেয়ে গেয়ে তার বোঝাটি বহন করে চলেছে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে, তার কাঁধে কিছুই নেই। অনুরূপ দেখা যায়, একই রকম দু‘জন ব্যক্তি অসুস্থ হয়েছে। রোগও অভিন্ন। একজনের মন অত্যন্ত ভারাক্রান্ত। ভয়ে সে শুকিয়ে গেছে। সে যেন শুধু মৃত্যুর অপেক্ষা করছে।…

অনুবাদ : আব্দুল্লাহ তালহা খোদা তাআলার হিকমত যে, জাযিরাতুল আরবকে নবুওতের মর্যাদা দান ও ইসলাম প্রচার-প্রসারের কেন্দ্র হিসেবে কবুল করেছেন। সেখানে বিভিন্ন সম্পদ ও বৈশিষ্ট্য দান করা সত্ত্বেও তাতে ছিল না কোনো জাগরণের লক্ষণ বা বাহ্যিক অস্থিরতা-পেরেশানি। সেখানে হাতেগোণা সত্যানুসন্ধানী যারা ছিলেন, তাদের অবস্থা ছিল প্রচণ্ড ঝঞ্ঝাবায়ুর মধ্যে জ্বলতে থাকা নিভুনিভু প্রদীপের আগুনের মতো, যে আগুন আলো দিতে পারে না, বরং প্রচণ্ড বাতাসের ঝাপটায় নিভে যায়। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের…

ইসলামের মূল স্তম্ভগুলো অন্যতম হলো সালাত। এই সালাত আদায় না করলে তার যেন ঈমানই ধ্বংস হয়ে যায়। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন অত্যন্ত সালাত-প্রেমী মানুষ। পৃথিবীর ইতিহাসে রাসূলের চেয়ে সালাতকে ভালোবাসা পোষণকারী কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া যাবে না। হযরত রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন, হে বিলাল! সালাতের মাধ্যমে আমাদেরকে প্রশান্তি দাও। অর্থাৎ নামাজের ঘোষণা দিয়ে আমাদের মনকে শীতল করে দাও। আল্লাহর রাসূল সা. আরেকটি হাদিসে বলেছেন, আমাদের চোখের…

রাসূলুল্লাহ সা. এক আজিব এরশাদ করেছেন। হযরত রাসূলে কারিম সা. বলেন, যখন তুমি মানুষের মধ্যে চারটি অবস্থা দেখবে তখন অন্য মানুষের ইসলাহর ফিকির বাদ দিয়ে নিজের ইসলাহর ফিকিরে অধিক মনযোগী হও। সেই চারটি বিষয় হলো এক, যখন দেখবে মানুষ আখেরাতের উপর দুনিয়াকে প্রাধান্য দিচ্ছে। অর্থাৎ তার মাঝে আখেরাতের কোনো চিন্তা-ফিকির নেই। শুধুই দুনিয়ার অর্থ-বিত্তের ধান্দা। সেই অর্থ হালাল পথে আসুক বা হারাম পথে সেদিকে তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। ধোকা দিয়ে…

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মাহে রমযানকে কিছু বিশেষ ফজিলত দিয়ে সাজিয়েছেন। এই ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যগুলো অন্য কোনো মাসের নেই। রমযান মাসে পবিত্র কুরআন কারিম অবতীর্ণ হয়েছ্। এ মাস সহমর্মিতা ও অপরের প্রতি দয়ার মাস। এ মাস বান্দার তওবা ও আল্লাহর পক্ষ থেকে মাগফেরাতের মাস। এ মাসের সম্মানার্থে আল্লাহ অসংখ্য পাপী-তাপীকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। শুধুমাত্র এই একটি মাসকে উপলক্ষ করে জান্নাতের সবগুলো দরজা উন্মুক্ত করে দেয়া হয় এবং দুর্বিনীত…

হাদিস শরিফে কোনো ওসিলা দিয়ে দুআ করার কথা বলা হয়েছে। ওসিলা দিয়ে দুআ করার একটি তরিকা হলো, নেক আমলের ওসিলা দিয়ে দুআ করা। তা এভাবে যে, হে আল্লাহ! আমার এই আমলের ওসিলায় আমার দুআ কবূল করুন। . ওসিলা দেওয়ার আরেকটি তরিকা হলো, আমার নিকট তেমন কোনো আমল নেই। তবে আমি বলছি, হে আল্লাহ! আপনার ওমুক প্রিয় বান্দাকে আমি মুহব্বত করি। সেই মুহাব্বতের ওসিলা দিয়ে আপনার নিকট দুআ করছি। এখন বলুন,…

বিষয়: আমলের রুহানিয়াত কাকে বলে? অনেক সময় আমরা মনে করি, এবাদত বা আমলের রুহানিয়াত হলো, অন্তরের মধ্যে এক বিশেষ কাইফিয়্যাত সৃষ্টি হওয়া। বিশেষ ভাব পয়দা হওয়া। এবাদতে স্বাদ ও লজ্জত অনুভূত হওয়া। , কিন্তু আমাদের হযরতওয়ালা ডা. আব্দুল হাই আরেফি রহ. বলতেন, এটা ভ্রান্ত ধারণা। এটা এবাদতের রুহ বা রুহানিয়্যাত নয়। > এবাদতের রুহানিয়্যাত ও প্রকৃত অবস্থা হলো আল্লাহর হুকুম রাসূল সা,এর সুন্নত তরিকায় পূরণ করা। বিষয়টা বোঝানোর জন্য হযরত…

যুবক ভাইয়েরা ভালো করে শুনুন। যে ব্যক্তি হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় ঘরে প্রবেশ করে এবং সহাস্য বদনে ঘরের মানুষদের সালাম দেয় আল্লাহর তার রিযকে বরকত দান করেন। কিন্তু অনেকেই এটা করতে পারে না। ঘরে প্রবেশ করে গাম্ভীর্যপূর্ণ চেহারা নিয়ে। সালাম দিবে কী! সে ঘরে ঢুকতেই সবাই তটস্থ হয়ে যায়। ঘরে ঢুকে নম্র ভাষায় কথা বলে না। রাগত স্বরে কথা বলে। এটা শয়তানের শক্ত ধোকা। কারণ, সে চায় না আমাদের ঘরে বরকত আসুক।…

আল্লাহর নিকট দুআ করার উত্তম তরিকা আল্লাহর নিকট দুআ করার রয়েছে এক উত্তম পদ্ধতি ও সুন্নত তরিকা। দুআর পূর্বমূহুর্তে আল্লাহর নৈকট্য হাসিলের একটি তরিকা হলো প্রথমে হামদ তথা আল্লাহর প্রশংসা করবে। এরপর যা চাওয়ার চাইবে। এক্ষেত্রেও রহস্য হয়তো এটা যে, যখন আমরা আমাদের কোনো প্রয়োজনের কথা আল্লাহকে বলি অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাদেরকে রুজি দিন। সুস্থ করে দিন। এটা দিন, ওটা দিন। ঐ জিনিসটা আমার প্রয়োজন ইত্যাদি ইত্যাদি। এভাবে চাওয়ার মধ্যে,…

Pin It
error: Content is protected !!