Archive

August 2020

Browsing

[আল্লাহ তা’লা মুহাদ্দিসদের রিহলার কারনে উম্মতের আসন্ন বালা মুসিবত দূর করেছেন। -ইব্রাহীম ইবনু আদহাম] ………………….…………………………………………… . যুগে যুগে উলামায়ে উম্মত (রহিমাহুমুল্লাহ মান মাতু ওয়া হাফিজাহুমুল্লাহ মান বাক্বু) এই দ্বীনের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসতেছেন। এবং অক্লান্ত পরিশ্রম মেহনত ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে দ্বীনের বিশুদ্ধ ইলম সংরক্ষণ ও সংকলন করে আসতেছেন। এই দ্বীনের ইলমকে রক্ষাকারী উলামাগন (হাফিজাহুমুল্লাহ) কে আল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখবেন। রাছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম থেকে…

ফেমিনিজম তথা নারীবাদ বলতে শরীয়তে কিছু নেই। এর আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত সবই ভ্রান্তি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তদের গোমরাহ বলা গেলেও কাফের বলা যায় না। আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে শরীয়তের অকাট্য ও সুস্পষ্ট কোন বিষয়কে অস্বীকার করা, অভিযোগ করা ও বিদ্রুপ করার কারণে তাদের ঈমান চলে যাবে। বিয়ে করে থাকলে সাথে সাথে বিয়ে ভেঙ্গে যাবে। ঐ অবস্থায় বাচ্চা হলে তা হারামযাদা হবে! এবং তাওবা না করলে ইসলামী রাষ্ট্রে তাকে…

ভাষান্তর :ইমরান রাইহান ১. দিল্লি সালতানাতের ব্যপ্তি ছিল প্রায় সোয়া তিনশো বছর।[1] এ সময় বেশকিছু রাজবংশ শাসন করেছিল। ভারতবর্ষের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ইতিহাস আলোচনায় এই সময়ের নানা বিষয়ের আলোচনা উঠে আসে। এই সময়কালে হাদিসশাস্ত্রের পঠন-পাঠন ও চর্চা কেমন ছিল তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করা জরুরী, কারণ এই বিষয়ে নানা ধরনের সংশয় ও ভুল ধারণা ছড়িয়ে আছে। সাধারণত বলা হয়, এই সময়ে হাদিসশাস্ত্র ছিল অবহেলিত, এর দিকে বিশেষ কোনো গুরুত্ব দেয়া…

৪৯০ হিজরী। ১০৯৭ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর মাস। এন্টিয়ক অবরোধ করেছে ক্রুসেডাররা। আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহর (রা) হাতে বিজিত এই শহরের পতন ঘটাতে তারা দৃঢ়-সংকল্প। তারা অবরোধ বসিয়েছে শহরের উত্তর ও পশ্চিম প্রান্তে। পূর্ব ও দক্ষিন দিকে অবরোধের উপায় নেই। ওদিকে রয়েছে সুউচ্চ পর্বতমালা। প্রাকৃতিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর কাজ করছে তা। ক্রুসেডাররা শহর অবরোধ করতেই অর্থোডক্স খ্রিস্টান ও আর্মেনিয়ানরা আস্তিনের সাপ হয়ে ছোবল মারে মুসলমানদেরকে। তারা ক্রুসেডারদের কাছে শহরের যাবতীয় সামরিক তথ্য সরবরাহ করে।…

মুশতাক মুহাম্মদ আরমান খান নামে এক ব্যক্তি নিজেকে মাহদি দাবী করেছেন। মাহদি সংক্রান্ত হাদিসগুলোকে উদ্ভট গানিতিক ব্যখ্যার মাধ্যমে তিনি নিজের দাবী প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তার দাবী অনুসারে ইতিমধ্যে তিনশোর বেশি লোক তার হাতে বাইয়াত দিয়েছে। মাহদি দাবিদারদের এই সিলসিলা নতুন নয়। হিজরী দ্বিতীয় শতাব্দী থেকেই একের পর এক মাহদি দাবিদারের আবির্ভাব ঘটেছে। ১১৬ হিজরীতে খলিফা হিশাম বিন আবদুল মালিকের শাসনামলে আল হারিস বিন সুরাইজ নামে এক ব্যক্তি নিজেকে মাহদি…

অনুবাদ : আবূ উসামা জাফর ইকবাল বর্তমান শিয়াদের কুফরের বিষয়টি একেবারেই সুস্পষ্ট। প্রথম যুগের শিয়ারা তাদের আকীদা-বিশ্বাস গোপন করে রাখতো। তাদের কিতাবাদি আহলুস্ সুন্নাহ ওয়াল জামা’আতের অনেক বড় বড় আলেম সরাসরি প্রত্যক্ষ করেননি। যার কারণে তারা ব্যাপকভাবে শিয়াদের কাফির বলতেন না। কিন্তু বর্তমানে তাদের কিতাবাদিগুলো প্রকাশ পেয়েছে এবং তাদের আকিদা বিশ্বাসের বিষয়গুলোও মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই এ যুগের আলিমগণ বর্তমান শিয়াদেরকে স্বাভাবিকভাবে কাফির বলেন। (দেখুন, ইমদাদুল ফাতাওয়া,…

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই সময়ের সবচেয়ে বড় ফিতনা হলো—ইসলামকে আকল দিয়ে বুঝতে চাওয়া। বুদ্ধিবৃত্তিক ইসলামের জপ করতে-করতে আকলকে বানিয়ে ফেলে ইসলাম ও শরিয়ত বোঝার মূল মানদণ্ড। কিছু বই এবং এবং কিছু আর্টিকেলে শরিয়তের কিছু মূলনীতি ভাসা-ভাসা পড়েই আকল খাটিয়ে শুরু হয় উসুলের ভুল ও বিকৃত প্রয়োগ। সেখানে কোনো দলিলের প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন শুধু আকলের। অথচ, ইসলাম আকলের নাম নয়। শুধু আকল দিয়ে ইসলামকে বোঝা সম্ভবও নয়। ইসলাম বোঝার মানদণ্ড হলো—কুরআন-হাদিসের…

আমার ভায়েরা! শিয়াদের বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের ফতোয়া এটা কোনো নতুন বিষয় নয়৷ মাওলানা হক নেওয়াজ শহিদ রহ. শিয়াদের বাজারে, রাস্তা-ঘাটে, বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ও চৌরাস্তায় প্রকাশ্যে কাফের বলেছে। এবং এই বিষয়ে তার কাছে অনেক মজবুত দলিল ছিলো। বিষয়টি তাঁর ইমানী গায়রাতের পরিচয় ছিলো। আর তিনি কোনো নতুন কাজ করেননি। তিনি এমন কোনো দলকে কাফের বলেননি, যারা আসলেই কাফের নয়। শিয়াদের কুফর কুরআন দ্বারা প্রমাণিত। আমার উস্তাদগণ উপস্থিত আছেন। ইমাম…

‘মুরতাদ’ শব্দের সাথে আমাদের অধিকাংশেরই কমবেশি পরিচিতি থাকলেও ‘যিন্দিক’ ও ‘মুলহিদ’ শব্দদুটির সাথে পরিচয় আছে এমন ব্যক্তির সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। আবার যারা শব্দদুটি সম্পর্কে অবগত তাদের অনেকেই এর সঠিক অর্থ জানেন না বা প্রয়োগ করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন।তাই এই তিন পরিভাষা সম্পর্কে সামান্য আলোকপাত করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। মুরতাদ : কোন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে অপব্যাখ্যা না করে সরাসরি কোন সুস্পষ্ট কুফরী কথা-কাজে লিপ্ত হলে কিংবা ইসলাম ত্যাগ করে…

‘মেয়েরা চাইলে তাদের চেহারা খুলে রাখবে। ঢেকে রাখা ভালো, বাকি না ঢাকলে কোনো সমস্যা নেই।’ এই বিষয়ে বয়ানের মঞ্চ থেকে ফেসবুক পাড়ায় বেশ জোরেশোরে কিছু ভাই কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ এইগুলো তো বেশ পুরোনো ইস্যু। আমাদের আকাবিররা এই বিষয়ে যতধরনের প্রশ্ন, আপত্তি অপব্যাখ্যা আছে তার সবগুলোর জবাবে দিস্তার পর দিস্তা লেখে গেছেন। শুধু মাসিক আলকাউসারে এই বিষয়ে আমারই প্রায় দশটার কাছাকাছি বড় বড় প্রবন্ধ নজরে পড়েছে। আমার দুঃখ হলো—যারা চেহারা…

Pin It
error: Content is protected !!